ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ১৫/০৪/২০২৬ ৭:৫১ এএম

টেকনাফে ‎আত্মস্বীকৃত ১০২ জন ইয়াবা কারবারির অন্যতম নুরুল হুদা, যিনি ২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও অস্ত্রসহ আত্মসমর্পন করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে রয়েছে ৩ ডজনের বেশি মামলা। গেলো ২০২০ সালের ২ মার্চ সম্পদ বিবরণী দাখিল না করা এবং ২,৭১,২৫,৩৩৭ টাকার জ্ঞাত বহির্ভুত সম্পদ অর্জনপূর্বক ভোগ দখলের অপরাধে নুরুল হুদার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
‎মহানগর দায়রা জজ ও চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে মামলাটি করেন দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২ এর সহকারী পরিচালক মো. হুমায়ুন কবীর। যার মামলা নং-৪/২০২০।
‎গত বছরের ২৯ আগস্ট তার এ্যাম্বুলেন্স করে পাচারকালে একটি ইয়াবার চালান কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের মুহুরীপাড়াস্থ আলী আহমদ অটো রাইচ মিলের সামনে জেলা গোয়েন্দা সংস্থার হাতে আটক হয়। এতে প্রায় এককোটি ৫৯ লাখ টাকা মূল্যের ৫৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে কক্সবাজার সদর থানায় তার বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মামলা নং ৭৩/৪৮৭।
‎জানা যায়, নুরুল হুদা এক সময় গাড়ির হেলপার করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। স্থানীয়ভাবে পরিচিত ছিলেন নুরা বলে। অপর পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে ছোট দুজনকে নিয়ে নাফ নদীতে জাল ফেলতেন তাদের বাবা। তিনজন পরের জমিতে লবণ শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু যাদের জমিতে চাষ দিতেন, কয়েক বছরের মাথায় ইয়াবা ব্যবসার বদৌলতে সেই জমিই কিনে নেন নুরুল হুদা। মহাসড়কের ধারে গড়ে তোলেন দৃষ্টিনন্দন বাড়ি। তার পর একেক ভাইয়ের জন্য বানান একেকটি প্রাসাদ। ওঠাবসা ছিল অনেক প্রভাবশালীদের সাথে। পরে ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার পদে নির্বাচন করেন। বনে যান নেতা। হয়ে যান হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার।
‎সূত্র মতে, নুরুল হুদা টেকনাফের হ্নীলা ৮নং ওয়ার্ডের ৩ বারের নির্বাচিত মেম্বার। গেলো নির্বাচনের ভোটের মাঠে জয়ী হতে প্রচুর কালো টাকা বিনিয়োগ করে নির্বাচনেও বিজয়ী হন। বিজয়ী হয়েও মামলার কারনে যথা সময়ে শপথ নিতে পারেননি। পরে আওয়ামী লীগের একনেতার মাধ্যমে ইউএনওকে মোটাংকের মাধ্যমে ম্যানেজ করে শপথ নেন।
সরকারের ‎বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এককালের সেই হেলপার নুরা আজ শতকোটি টাকার মালিক। হ্নীলা টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের পাশেই তাদের ছয় ভাইয়ের নামে ৬টি নান্দনিক বাড়ি নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে তাদের বাড়ির সংখ্যা ১৪। টেকনাফের হোছ্যারখালের উত্তর পাশে, হ্নীলা আলীখালী, লেদাবাজার এলাকায় হুদার নিজেরই তিনটি বাড়ি। নিজে বসবাস করেন পুরান লেদায়। ফ্ল্যাট আছে চট্টগ্রামে। সেখানে বসবাস করে দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে।
তবে হ্নীলার দমদমিয়া বিজিবি চেকপোস্ট ঘেঁষে সবচেয়ে ব্যয়বহুল পাঁচতলা বাড়ি নির্মাণ করেন বড় ভাই নূর মোহাম্মদ। যিনি ২০১৪ সালে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন নূর মোহাম্মদ। এরপর নুর মোহাম্মদের রেখে যাওয়া কোটি কোটি টাকা ও সম্পত্তি ভোগ করে আসছেন নুরুল হুদা ও ভাতিজা নুরুল আমিন ফাহিম। ফাহিম এখন টেকনাফের শীর্ষ মাফিয়া। তার মালিকানায় রয়েছে এখন দুটি ইটভাটা। সেখানে রাতদিন মাটি কেটে পরিবেশ বিধ্বংসী কাজ করে যাচ্ছে।
‎এছাড়া টেকনাফ, হ্নীলা ও লেদায় শত একর জমি কিনে নিয়েছে এই ইয়াবা ব্যবসায়ীরা। পুলিশের খাতায় মোস্ট ওয়ান্টেড নুরুল হুদা, তার ভাই নুরুল কবির, নুরুল আবছার, ভাতিজা নুরুল আমিন ফাহিম। তারা এখন নিজেদের নামে আর সম্পত্তি মালিকানায় না রেখে শ্বশুর বাড়ির লোকজন ও বিভিন্ন স্বজনদের নামে ক্রয় করছে।
‎সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হ্নীলার জাদিমুড়া থেকে খারাংখালী এলাকা পর্যন্ত নাফ নদীর দুই পাশে ইয়াবার সাম্রাজ্য গড়ে তুলেন নুরুল হুদা। জাদিমোড়া, নয়াপাড়া, মোচনী, লেদা, রঙ্গিখালী, আলীখালী, নাটমোড়াপাড়া, হ্নীলা ফুলের ডেইল, ওয়াব্রাং ও খারাংখালী পয়েন্ট হয়ে প্রতিদিন মিয়ানমার থেকে তার নামে ইয়াবার চালান আসে। সন্ধ্যার পর এসব খোলা বিলে লোকজনের উপস্থিতি না থাকায় ইয়াবা চোরাচালানের একটি অন্যতম রুটে পরিণত হয়। সেখানে জড়িত রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি অসাধু চক্র। তারা নিরাপদে থাকার জন্য ইয়াবা চক্র থেকে অভিযানের নামে কিছু আটক দেখিয়ে প্রমােশন নেন৷
বর্তমানে নুরুল হুদা একাই প্রায় শতকোটি টাকার মালিক বনে আছেন। তিনি একাধিকবার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন।
‎পুলিশ জানায়, নুরুল হুদা হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র আলোচিত সরওয়ার কামাল হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। তিনি ও তার সবভাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন-পুরনো সবকটি তালিকাভুক্ত ইয়াবা পাচারকারী ও সন্ত্রাসী। ২০১৪ সালে আত্মগোপনে থেকে মেম্বার নির্বাচিত হলেও শপথ নিতে পারেননি। পরে ২০১৬ সালে কোটি টাকা ব্যয়ে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে রাতের আঁধারে শপথ গ্রহণের চেষ্টা করেন। পুলিশ জানায়, এরা পারিবারিকভাবে ইয়াবা ব্যবসায়ী। দ্বিতীয় ভাই শামসুল হুদা যাবজ্জীবন সাজা ভোগ করছেন। নুরুল কবির, সরওয়ার, নুরুল আবছার, ফাহিমসহ অন্য ভাইরাও ফেরারী।
‎অনুসন্ধানে জানা যায়, লেদা পশ্চিম পাড়ার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে নুরুল হুদা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানাসহ দেশের বিভিন্ন আদালতে ইয়াবা, অস্ত্র, হত্যা মামলাসহ নানা অপরাধে ৫০টিরও বেশি মামলা রয়েছে। যার প্রায় মামলা বিচারাধীন আছে। এমন একজন চিহ্নিত রাষ্ট্রদ্রোহী, চোরাকারবারী, সরকারের আত্মস্বীকৃত ব্যক্তিকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছে যা ন্যাক্কারজনক ও নিন্দনীয়। এলাকাবাসী এই ভয়াবহ মরণনেশা ইয়াবা কারবারীর নিকট জীম্মি। তার বিরুদ্ধে রয়েছে জুলাই আগস্ট আন্দোলনে ছাত্র জনতার উপর হামলায় জড়িত ঘটনাও। ছাত্র জনতার উপর হামলার ঘটনায় মামলাও রয়েছে। তিনি আলোচিত কক্সবাজারের ৫২০ জনের মামলায় এজাহারভুক্ত আসামী।
সর্বশেষ ২০২৫ সালের ১৫ নভেম্বর টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ তালিকাভূক্ত ১০২ জন আত্মসমর্পণকারী মাদক কারবারী মধ্যে অন্যতম এবং ১টি অপহরণসহ খুন মামলা, ১৬টি মাদক মামলা, ৩টি অস্ত্র মামলা, ১টি বিশেষ ক্ষমতা মামলা, ১টি মানিলন্ডারিং মামলা, ৪টি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা উপর হামলা মামলা ও ২টি নাশকতাসহ বিস্ফোরক মামলা সর্বমোট ২৮টি মামলার আসামী নুরুল হুদাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশের খাতায় উল্লেখ আছে, সেই কুখ্যাত নুরুল হুদা তালিকাভূক্ত ১০২ জন আত্মসমর্পণকারী মাদক কারবারীর মধ্যে অন্যতম এবং হ্নীলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও হ্নীলা ইউনিয়নেয়র ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা। থানার রেকর্ড পিসিপিআর যাচাই করে আসামী নুরুল হুদা বিরুদ্ধে ১৬টি মাদক, ১টি অপহরণসহ খুন মামলা, ৩টি অস্ত্র, ১টি বিশেষ ক্ষমতা, ১টি মানিলন্ডারিং, ৪টি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা উপর হামলা ও ২টি নাশকতাসহ বিস্ফোরক মামলাসহ মোট ২৮টি মামলা রয়েছে। তখন তদন্তাধীন ছাত্র জনতার উপর হামলা মামলার এজাহারনামীয় ৩টি মামলায় চালানমূলে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।
সেই মামলায় গত ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনের আগেরদিন কক্সবাজার কারাগার থেকে বের হন। বের হয়ে বেপরোয়া জীবন শুরু করে দেন। বর্তমানে লেদাসহ পুরো হ্নীলা ইউনিয়ন তিনি নিয়ন্ত্রণ করছেন। অথচ বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকলেও তার অস্ত্র ও সন্ত্রাসবাহিনী দিয়ে শাসন করতেছে। একপ্রকার বিএনপির নেতাকর্মীরা তার কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে। তার কালো টাকায় লেদা কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী বর্তমান এমপি আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী পরাজিত হয়েছে।
‎এদিকে, একজন চিহ্নিত মাদক কারবারী ও আওয়ামী লীগ নেতা কিভাবে বীরদর্পে চলাফেলা করে; তা নিয়ে উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তিনি যেকোন মুহুর্তে বর্তমান সরকার বিরোধী কর্মকাণ্ড করে বিস্ফোরণ ঘটাবেন। তাকে অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
‎সচেতন স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নুরুল হুদা মেম্বার আত্মস্বীকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ী। অবৈধ উপায়ে সম্পদ উপার্জনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। কারাগারে যায় আবার মুহূর্তে চলে আসে। হাইকোর্ট ও কক্সবাজারের আদালত কালো টাকায় তিনি নিয়ন্ত্রণ করেন। তিনি কারাগারে গেলেও সেখানে মোবাইল ব্যবহার করে ইয়ায়া ব্যবসা পরিচালনা করে। এখন কারাগার থেকে বের হয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পানির লাইন, ঠিকাদারি ব্যবসা, ইয়াবা ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ ও আওয়ামী লীগকে লালন পালন করছেন।
তারা আরো জানান, সন্ত্রাসী নুরুল হুদা দিনদুপুরে টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জাফর আলম মেম্বারের বড় ভাই, বর্তমান উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভােকেট হাসান ছিদ্দিকীর পিতা আবুল কাশেমকে দিনদুপুরে প্রকাশ্যে হত্যা করে। সেই মামলাও এখনো চলমান রয়েছে। তার নেশা এবং পেশা হয়ে গেছে মানুষ হত্যা ও ইয়াবা ব্যবসা করা। কেউ প্রতিবাদ করলে তার উপর মুহুর্তে চলে আসে অত্যাচার জুলুম নির্যাতন। সেই কারনে কোন মানুষ প্রতিবাদ করতে পারেনা।
এলাকাবাসীরা জানান, নুরুল হুদার পর তার ভাই নুরুল কবিরের রয়েছে দুইটি ইটভাটা, আলীখালী রাস্তার মাথায় অবস্থিত দুই কোটি টাকায় মধুমতি সল্ট ইন্ডাস্ট্রি ক্রয়, ১০/১২ টা অবৈধ ডাম্বার রয়েছে। তার ভাতিজা ছাত্রলীগ নেতা নুরুল আমিন ফাহিমের মালিকানায় রয়েছে দুটি ইটভাটা। রয়েছে শত শত খানি জমি আর বিল্ডিং। তার ছোট ভাই নুরুল আবছার কিছুদিন আগে কুমিল্লা কারাগার থেকে বের হন। সেখানে তিনি ইয়াবা নিয়ে অত্যাধুনিক মডেলের গাড়িসহ হাতেনাতে ধরা পড়েছিলেন। তার অপর ভাই শামসুল হুদার লাশ পাওয়া যায় পাহাড়ের পাদদেশে। সেই ঘটনাও ইয়াবার লেনদেন নিয়ে ঘটেছে বলে জানা গেছে।
তার বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা ভোটারের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। তার বাড়ির কাজের মেয়ে ইয়াছমিন আক্তারকে নিজেই পিতা সাজিয়ে ভোটার করেছেন। এ সংক্রান্ত অভিযোগ টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যেই তদন্তও করা হয়েছে। সেটার প্রমানও মিলেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনরা আরো জানান, ক্রসফায়ারে নিহত তার ভাই নুর মোহাম্মদ এর হাত ধরে নূরুল হুদা’র জীবন বদলে যেতে শুরু করে ২০০৮ সালে। সে বছরে তার বড়ভাই নূর মোহাম্মদ নামেন ইয়াবা ব্যবসায়। এরপর নুর মোহাম্মদ তার তিন ভাই ও ছেলে-শামসুল হুদা, নূরুল আফসার, নূরুল কবিরকে নামান এই ব্যবসায়। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে তাদের সম্পদ। কয়েক বছরের মধ্যে নুর মোহাম্মদ নিজেই তৈরি করেন তিনটি ‘বিলাসবহুল’ বাড়ি। সেগুলো রয়েছে টেকনাফের দামদামিয়া, নাইট্যংপাড়া এবং গুদারবিলে। ২০১৪ সালে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নুর মোহাম্মদ মারা যাওয়ার পর থেকে সেই বাড়িগুলো তারা নিয়ন্ত্রণ করছে।
এখন সময়ের দাবি-তাদের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করে সম্পদগুলো সরকারের রাষ্ট্রীয় কোষাকারে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান স্থানীয়রা৷
এ ব্যাপারে নুরুল হুদা মেম্বারের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কক্সবাজারের ‎দুদকের সাবেক পিপি এডভোকেট আব্দুর রহিম বলেন, অনেক আত্মস্বীকৃত ইয়াবা কারবারী কারামুক্ত হয়ে বেপরোয়া জীবন যাপন করছে। মাদক কারবারে জড়িয়েছে বারবার। জনগণ তাদের ভোট কেন দেয়, বুঝিনা। আত্মস্বীকৃত অপরাধীদের সামাজিকভাবে বয়কট করা উচিৎ। এখন মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত রায় দেওয়া উচিত।

পাঠকের মতামত

জাপানের টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে সুযোগ পেলেন কক্সবাজারের ইয়াশনা

​চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্রী ইয়াশনা ইকতার জাপানের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ...

বিলাসবহুল গাড়ি, তরুণ সিন্ডিকেট ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে বিস্তৃত ইয়াবা নেটওয়ার্ক

কখনো বিলাসবহুল প্রাইভেটকার, কখনো সুন্দরী নারী, কখনো পেটের ভেতর, কখনো শরীরের বিভিন্ন অংশে, আবার কখনো ...

কোর্টবাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, বেকারি ও মাংসের দোকানকে জরিমানা

 কক্সবাজারের কোর্টবাজারের ভালুকিয়া রোডে মধ্যরত্না রত্নাংকুর বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন একটি বাসায় অবৈধভাবে পরিচালিত একটি ...
Single Page Footer